যে আয়াত পড়লে মাথাব্যথা দূর হয়

ধর্ম ডেস্ক :

প্রতিটি রোগ-অসুস্থতা আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন। আবার তিনি এসবের নিরাময়ও রেখেছেন। সব অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে ও আরোগ্য লাভে ইসলামী আমল রয়েছে, তেমনি মাথাব্যথার ক্ষেত্রেও রয়েছে কোরআনের আমল।

ইসলামী বিশেষজ্ঞ ও হাদিসবিশারদরা কিছু আয়াত ও আমল বর্ণনা করেছেন। যেগুলো পড়লে ইনশাআল্লাহ মাথাব্যথা দূর হবে।

এক.

﴿ وَلَوْ أَنَّ قُرْآنًا سُيِّرَتْ بِهِ الْجِبَالُ أَوْ قُطِّعَتْ بِهِ الْأَرْضُ أَوْ كُلِّمَ بِهِ الْمَوْتَى بَلْ لِلَّهِ الْأَمْرُ﴾

উচ্চারণ : ওলাও আন্না কুরআনান সুয়্যিরাত বিহিল জিবালু আও কুত্তিআত বিহিল আরদ্বু আও কুল্লিমা বিহিল মাওতা, বাল লিল্লাহিল আমরু…

অর্থ : যদি কোনো কোরআন এমন হতো- যার সাহায্যে পাহাড় চলমান হয় অথবা জমিন খণ্ডিত হয় অথবা মৃতরা কথা বলে, তবে কি হতো? বরং সব কাজ তো আল্লাহর হাতে।’ (সুরা র’দ, আয়াত : ৩১)

দুই.

﴿تَكَادُ ٱلسَّمَٰوَٰتُ يَتَفَطَّرْنَ مِنْهُ وَتَنشَقُّ ٱلْأَرْضُ وَتَخِرُّ ٱلْجِبَالُ هَدًّا﴾

উচ্চারণ : তাকাদুস সামাওয়াতু ইয়াতাফাত্তারনা মিনহু ওয়া তানশাক্কুল আরদ্বু ওয়া তাখির্রুল জিবালু হাদ্দা।

অর্থ : ‘…হয় তো এর কারণেই এখনই নভোমণ্ডল ফেটে পড়বে, পৃথিবী খণ্ড-বিখণ্ড হবে এবং পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে।’ (সুরা মরিয়ম, আয়াত : ৯০)

তিন.

﴿وَجَعَلْنَا مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَٰهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ﴾

উচ্চারণ : ওয়া জাআলনা মিম বাইনি আইদিহিম সাদ্দাঁও, ওয়া মিন খালফিহিম সাদ্দাং, ফাআঘশাইনা হুম ফাহুম লা য়ুবছিরুন।

অর্থ : ‘আমি তাদের সামনে ও পেছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি, অতঃপর তাদের আবৃত করে দিয়েছি, ফলে তারা দেখে না।’ (সুরা ইয়াসিন, আয়াত : ০৯)

চার.

﴿وَقِيلَ يَٰٓأَرْضُ ٱبْلَعِى مَآءَكِ وَيَٰسَمَآءُ أَقْلِعِى وَغِيضَ ٱلْمَآءُ وَقُضِىَ ٱلْأَمْرُ وَٱسْتَوَتْ عَلَى ٱلْجُودِىِّ ۖ وَقِيلَ بُعْدًا لِّلْقَوْمِ ٱلظَّٰلِمِينَ﴾

উচ্চারণ : ওয়া কিলা ইয়া আরদ্বুব লা’ই মা-আকা, ওয়া সামাউক লা’ই, ওয়া ঘি-দ্বাল মা-উ ওয়া কুদ্বিয়াল আমরু আলাল জুদি; ওয়া কিলা বু’দান লিল ক্বাওমিজ জালিমিন।

অর্থ : ‘আর নির্দেশ দেওয়া হলো- হে পৃথিবী! তোমার পানি গিলে ফেল, আর হে আকাশ- ক্ষান্ত হও। আর পানি হ্রাস করা হলো এবং কাজ শেষ হয়ে গেল, আর জুদি পর্বতে নৌকা ভিড়ল এবং ঘোষণা করা হলো, দুরাত্মা কাফেররা নিপাত যাক।’ (সুরা হুদ, আয়াত : ৪৪)

পাঁচ.

﴿فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ بِهِۦٓ أَذًى مِّن رَّأْسِهِۦ فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍۢ﴾

উচ্চারণ : ফামান কানা- মিনকুম মারিদ্বান আও বিহি আজাম মির রা’সিহি, ফাফিদয়াতুম মিন সিয়ামিন আও সাদাক্বাতিন আও নুসুক।

অর্থ : ‘তোমাদের মধ্যে অসুস্থ যারা হয়ে পড়বে কিংবা মাথায় যদি কোনো কষ্ট থাকে, তাহলে তার পরিবর্তে রোজা করবে কিংবা খয়রাত দেবে অথবা কোরবানি করবে…।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৬)

ছয়.

﴿يَدُ ٱللَّهِ فَوْقَ أَيْدِيهِمْ ۚ فَمَن نَّكَثَ فَإِنَّمَا يَنكُثُ عَلَىٰ نَفْسِهِۦ﴾

উচ্চারণ : ইয়াদুল্লাহি ফাওকা আইদিহিম, ফামান নাকাছা ফাইন্নামা ইয়ানকুছু আলা নাফসিহি।

অর্থ : আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর রয়েছে। অতএব, যে শপথ ভঙ্গ করে; অবশ্যই সে তা নিজের ক্ষতির জন্যেই করে।’ (সুরা ফাতাহ, আয়াত : ১০)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *